খুলনার দৌলতপুরে একটি মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সাজ্জাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় সরাসরি হামলায় অংশ নেওয়া মূল অভিযুক্তদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার আগের রাতে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি সাজ্জাদের বাসায় অবস্থান করেন। ফজরের আগে তারা মোটরসাইকেলে করে মসজিদের সামনে যান এবং নামাজ শেষে দুই মুসল্লি—লোকমান হাকিম ও আলম শেখের ওপর গুলি চালিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।
ঘটনার পর ১৮ জুন সন্ধ্যায় দৌলতপুর এলাকা থেকে সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে হামলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে তদন্তে উঠে এসেছে। অভিযুক্তদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ পরিচয় রয়েছে বলেও জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মামলার স্বার্থে এ মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মূল হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন ফজরের নামাজ শেষে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
