✕
শিরোনাম ::
লোড হচ্ছে...

খুলনায় মাদ্রাসা শিক্ষকের মারধরে শিশুর মাথায় গুরুতর আঘাতের অভিযোগ



খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি হেফজ মাদ্রাসায় শিক্ষকের মারধরের ঘটনায় ৯ বছর বয়সী এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। শিশুটির মাথায় আঘাত লেগে রক্ত জমাট বাঁধার পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুন রাতে ডাক্তারপাড়া এলাকার নুরুল কুরআন তাহফিজ একাডেমিতে পড়া না পারার কারণে শিশুটিকে বেত দিয়ে মারধর করা হয়। ঘটনার পরপরই তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়নি। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর অন্য মাধ্যমে খবর পেয়ে শিশুটির বাবা তাকে উদ্ধার করেন। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষায় মাথায় গুরুতর আঘাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওষুধে অবস্থার উন্নতি না হলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

আহত শিশুর নাম ইসমাইল শিকদার (৯)। তাকে হেফজ শিক্ষা গ্রহণের জন্য আবাসিকভাবে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়েছিল।

মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। পরে জানতে পারেন, পড়া না পারায় শিশুটিকে বেত দিয়ে মারধর করা হয় এবং একপর্যায়ে তার মাথা দেয়ালে লেগে যায়। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুর রহমান মাদ্রাসা ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।

শিশুটির বাবা ওমর ফারুক শিকদার বলেন, ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়েছিল। মারধরের বিষয়ে পরিবারকে সময়মতো জানানো হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বর্তমানে তার সন্তানের চিকিৎসাই পরিবারের প্রধান অগ্রাধিকার।

এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00

সর্বশেষ

↑
×