পাগলী- কাশবনে দেখো লেগেছে দোলা,
কুয়াশা চাদর বিছাচ্ছে নতুন ভোরের আকাশে,
সফেদ পেঁজা তুলোর ন্যায় দৌড়াচ্ছে মেঘমালা,
শিউলি তলায় ঝরছে ফুল- বিশ্বেশ্বরী এলো বুঝি!
পাগলী- ভাস্করের তুলিতে সেজে উঠছেন বিশ্বেশ্বরী,
আকাশবাণীতে আসছে সেই শুভক্ষণ,
বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ভরাট কণ্ঠের, নিখুঁত উচ্চারণের মহিষাসুরমর্দিনী,
দেবীপক্ষের আগমনের এই শুভক্ষণে তুমিও হও রেডি!
পাগলী- তাঁতের লাল পেড়ে শাড়ি আটপৌরে ঢঙে,
জড়িয়ে এসো তুমি মোহনীয় ওই অঙ্গে!
হরিণী চোখে কাজল দিও, আলতা মেখো পায়ে,
তোমার আলতা রাঙা হাত ধরে যাব বিশ্বেশ্বরীর নিকটে!
পাগলী, মণ্ডপে হবে আরতি, আসবে ঢাকের সুর,
ধূপের ওই পবিত্র গন্ধে মন হবে ব্যাকুল,
লক্ষ্মী বেশে রবে তুমি বিশ্বেশ্বরী দর্শনে,
হৃদয় ভরে নেব নিঃশ্বাস- ধূপ আর লক্ষ্মীর কেশের!
পাগলী- স্পেশাল ট্রেনে চড়ে চড়ে দেখব পুজো,
বাবুদের ঐশ্বর্যের ঝলকানি ছেড়ে শহরতলি আর গাঁয়েও যাব,
বিশ্বেশ্বরীর চরণে অশ্রু অঞ্জলিতেই তবে পূর্ণ হবে পুজো!
