উপকূল এক্সপ্রেস
[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

কয়রায় বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই সড়কে কার্পেটিং, ক্ষোভ এলাকাবাসীর

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন একটি সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ না করেই কার্পেটিং করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এ অবস্থায় যেকোনো স


ময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পথচারী ও এলাকাবাসী।

পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪ কোটি ৪২ লাখ ৭৭ হাজার ২২৯ টাকা ব্যয়ে গ্রাজুয়েট হাইস্কুল–হায়াতখালী বাজার সড়কের সাড়ে ৩ কিলোমিটার উন্নয়নকাজ চলছে। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ দরপত্রের মাধ্যমে মেসার্স এস আর ট্রেডার্সকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দুই দফা সময় বাড়িয়েও এখনো কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহারাজপুর ইউনিয়নের হায়াতখালী বাজার থেকে মঠবাড়ি মধ্যপাড়া হয়ে গ্রাজুয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দিকে যাওয়া সড়কের ওপর সম্প্রতি আরসিসি কার্পেটিং করা হয়েছে। তবে সড়কের মাঝখানে থাকা অন্তত ২০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ না করেই এই কাজ করা হয়েছে। খুঁটিগুলোর সঙ্গে স্থানীয় বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মুকুল গাজী বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে অপরিকল্পিতভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তার কাজ শেষ হলে যান চলাচল বাড়বে। তখন দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়বে।”

মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহামুদ বলেন, সমন্বয়হীনতার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “রাস্তাটির কাজ শেষ হলে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হবে। কিন্তু বৈদ্যুতিক খুঁটি না সরালে মানুষের ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে।”

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস আর ট্রেডার্সের মালিক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য কোনো বরাদ্দ না থাকায় খুঁটি রেখেই কাজ করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “এভাবে কাজ করতে আমাদেরও সমস্যা হচ্ছে। খুঁটি না সরালে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

এ বিষয়ে খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন কয়রা জোনাল অফিসের ডিজিএম মাহাফুজুর রহমান বলেন, সড়কের ওপর থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি সরাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে আবেদন করতে হয়। আবেদন পেলে খুঁটি স্থানান্তরের ব্যয় নির্ধারণ করে জানানো হয়। পরে টাকা জমা দিলে খুঁটি সরিয়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, “এ ক্ষেত্রে আমাদের অবহিত না করেই কাজ করা হয়েছে। অনেক সময় বাজেট না থাকলেও আবেদন করলে আমরা খুঁটি সরিয়ে দিই, পরে বরাদ্দ পেলে খরচ পরিশোধ করা হয়।”

উপজেলা প্রকৌশলী শাহীন শোয়েব বলেন, প্রকল্পে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য আলাদা বরাদ্দ না থাকায় খুঁটি রেখেই কাজ চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, “আমি নিজে সড়কটি পরিদর্শন করেছি। খুঁটিগুলো থাকলেও বড় কোনো সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। পরে বরাদ্দ পাওয়া গেলে খুঁটি অপসারণ করা হবে।”

This theme has been developed by OURISLABD.
×

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন