উপকূল এক্সপ্রেস
[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

মহররমের পর খামেনির দাফন, প্রকাশ করল ইরান সরকার

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা, দাফন ও স্মরণসভা সংক্রান্ত প্রস্তুতির তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার। পবিত্র মহররম মাসের প্রথম ১০ দিন তথা আশুরার শোক পালন শেষে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির স্মরণসভা আয়োজনে গঠিত বিশেষ উচ্চপর্যায়ের কমিটি মঙ্গলবার তাদের দ্বিতীয় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে জানাজা, দাফন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্মরণসভার প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর প্রতি খামেনির দীর্ঘদিনের ধর্মীয় অঙ্গীকার এবং মহররমের শোকানুষ্ঠানের প্রতি সম্মান জানিয়েই দাফনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, মহররমের প্রথম ১০ দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর তাঁর জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হবে।

একই সঙ্গে খামেনির দাফনের সময় ও আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘যাচাইবিহীন’ তথ্যের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে স্মরণসভা কমিটি। তাদের দাবি, এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য ঐতিহাসিক এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগ্রহী লাখো মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি করছে।

এর আগে তেহরানের ইসলামি প্রচার সমন্বয় পরিষদের প্রধান মহসেন মাহমুদ বলেন, খামেনির জানাজা এমন একটি বৈশ্বিক আয়োজনে পরিণত হবে, যা ইরান ও সমগ্র মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ইতোমধ্যে ইরাকসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন ও প্রস্তুতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

কমিটি আরও জানায়, দূর-দূরান্ত থেকে আগত মানুষের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত সময়সূচি ও বিস্তারিত তথ্য জনসাধারণকে জানানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টানা ৩৬ বছরেরও বেশি সময় দেশটির ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে ছিলেন।

This theme has been developed by OURISLABD.
×

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন