উপকূল এক্সপ্রেস
[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬টি আমল

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...



ইসলামে সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে শুক্রবার বা জুমার দিন বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। কোরআন ও হাদিসে এ দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে বহু বর্ণনা এসেছে। মহান আল্লাহ এই দিনকে মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশেষ সম্মানিত করেছেন।

হজরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পূর্ববর্তী জাতিগুলোকে জুমার দিনের মর্যাদা জানানো হয়নি। ফলে ইহুদিরা শনিবার এবং খ্রিস্টানরা রবিবারকে বিশেষ দিন হিসেবে গ্রহণ করে। আর আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনের মর্যাদা দান করেছেন।

জুমার দিনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য

হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, জুমার দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, এদিনই তাঁকে পৃথিবীতে পাঠানো হয় এবং এদিনই তাঁর ইন্তেকাল ঘটে। এছাড়া জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে যখন আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন। কিয়ামতও সংঘটিত হবে এই দিনেই।

১. জুমার নামাজের ফজিলত

যে ব্যক্তি জুমার দিন পরিচ্ছন্নতা অর্জন করে, সুগন্ধি ব্যবহার করে, সময়মতো মসজিদে যায় এবং মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনে, আল্লাহ তাআলা তার এক জুমা থেকে আরেক জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ ক্ষমা করে দেন। তবে বড় গুনাহ থেকে বিরত থাকতে হবে।

২. জুমার দিনের গোসল

জুমার দিন গোসল করা এবং দ্রুত মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি উত্তমভাবে গোসল করে আগে আগে মসজিদে যায় এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনে, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর নফল রোজা ও নামাজের সমপরিমাণ সওয়াব লেখা হয়।

৩. আগে মসজিদে যাওয়ার গুরুত্ব

জুমার দিনে যত আগে মসজিদে যাওয়া যায় তত বেশি ফজিলত লাভ হয়। রাসুল (সা.) উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, প্রথমে আগত ব্যক্তি যেন একটি উট কোরবানি করল, এরপর আগত ব্যক্তি গরু, তারপর ছাগল, তারপর মুরগি এবং পরবর্তী ব্যক্তি ডিম সদকা করার সমান সওয়াব পায়।

৪. দোয়া কবুলের বিশেষ সময়

জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে কল্যাণকর কিছু চাইলে তা কবুল করা হয়। বিভিন্ন বর্ণনায় আছরের পরবর্তী সময়কে এ বিশেষ মুহূর্ত অনুসন্ধানের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

৫. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত

জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সুরা কাহাফ পাঠ করা। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে এই সুরা তিলাওয়াত করে, তার জন্য এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত নূরের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া সুরার শেষ দশ আয়াত পাঠকারীর জন্য দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার সুসংবাদ রয়েছে।

৬. বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ

জুমার দিনে নবী করিম (সা.)-এর ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করার বিশেষ নির্দেশ রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, এ দিনে পাঠ করা দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। তাই শুক্রবারে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা মুস্তাহাব আমল।

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন ইবাদত, দোয়া, তিলাওয়াত ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। তাই এ দিনের ফজিলতপূর্ণ আমলগুলো যথাসম্ভব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা উচিত।

This theme has been developed by OURISLABD.
×

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন